চলমান সংঘাতে যেসব শীর্ষ নেতাকে হারাল ইরান

Posted on March 19, 2026   10.7K

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। চলমান এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাকেই নাড়িয়ে দেয়নি, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও নৌপরিবহনেও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। এসব হামলায় ইরানের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নিহত হয়েছেন।


আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি


ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। ২৮ ফেব্রুয়ারি তাঁর বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় ছিলেন। তাঁর মৃত্যু ইরানের রাজনৈতিক কাঠামোয় বড় শূন্যতা তৈরি করেছে


আলী লারিজানি


সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। ১৭ মার্চ পারদিস এলাকায় হামলায় ছেলে ও এক সহযোগীসহ নিহত হন। খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা ছিলেন


ইসমাইল খতিব


ইরানের গোয়েন্দামন্ত্রী। ১৮ মার্চ ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। কঠোরপন্থী ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত


আলি শামখানি


খামেনির ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় তেহরানে নিহত হন। নিরাপত্তা ও পারমাণবিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল


মোহাম্মদ পাকপুর


ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস আইআরজিসি প্রধান। ২৮ ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত হন। ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন


আজিজ নাসিরজাদেহ


ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। একই হামলায় নিহত হন। সামরিক পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতেন


আবদোলরহিম মুসাভি


ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান। তেহরানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে থাকা অবস্থায় হামলায় নিহত হন


গোলামরেজা সোলেইমানি


বাসিজ প্যারামিলিটারি বাহিনীর প্রধান। ১৭ মার্চের হামলায় নিহত হন। অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তায় এই বাহিনীর বড় ভূমিকা রয়েছে


ধারাবাহিক এসব হামলায় ইরানের ক্ষমতার শীর্ষ স্তর গভীরভাবে নাড়িয়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এর প্রভাব শুধু দেশটির ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতেও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে

Share on

Tags

(0) Comments

  • Nothing Found!

Add Comment